রাজ্যের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। এই ব্যবস্থা আরও সুসংহত ও এক কাঠামোর আওতায় আনতে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি ল’জ (সংশোধনী) বিল, ২০২৬’ বিধানসভায় পেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নবান্ন সূত্রে খবর, চলতি অগস্ট অথবা সেপ্টেম্বরে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে। সেই অধিবেশনেই সংশোধনী বিলটি পেশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিলটি পাশ না হওয়া পর্যন্ত এর নির্দিষ্ট ধারাগুলি সম্পর্কে চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হবে না।
বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভিডেন্ট ফান্ড পরিচালনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং অর্থ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নতুন কাঠামো চালু হলে পিএফের হিসাব, জমা অর্থ, সুদের হিসাব, অর্থ স্থানান্তর এবং অবসরের সময়ে প্রাপ্য অর্থ মেটানোর ক্ষেত্রে আরও সমন্বিত ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবর্ষে রাজ্য সরকারের সাধারণ প্রভিডেন্ট ফান্ডে ৭.১ শতাংশ সুদের হার কার্যকর রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী শিক্ষক ও কর্মীদের কাছে প্রভিডেন্ট ফান্ড অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ফলে প্রস্তাবিত পরিবর্তনের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্বার্থও সরাসরি যুক্ত।
তবে কোন ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ব্যবস্থার আওতায় আসবে, বর্তমানে থাকা পিএফ অ্যাকাউন্টগুলির অর্থ কীভাবে পরিচালিত হবে এবং কর্মীদের ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন কার্যকর হবে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিধানসভায় বিল পেশ ও আলোচনার পরই এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে।