যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে ফের উত্তেজনা ছড়াল। ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে এবিভিপি, এসএফআই, ডিএসও-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন পড়ুয়া আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এবিভিপির অভিযোগ, সাধারণ সভার নামে পরিকল্পিত ভাবে তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি সভাপতি নিখিল রায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এবিভিপির কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির সদস্য শুভব্রত অধিকারী অভিযোগ করেন, তাঁদের ছাত্রনেতাদের উপর প্রাণঘাতী হামলার চেষ্টা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথাও জানানো হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি যাদবপুরে ‘গণতান্ত্রিক ভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর হুঁশিয়ারি দেন।
অন্যদিকে, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির অভিযোগ, এবিভিপি এবং এনএসএফ বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। তাঁদের দাবি, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের বামপন্থী পড়ুয়াদের তাড়া করে অরবিন্দ ভবনে আটকে রাখা হয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালানো, ইট-পাটকেল ছোড়া এবং ভাঙচুরেরও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই যাদবপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি। সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবারও বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে ২০ অগস্ট ‘ধিক্কার দিবস’-এর ডাক দিয়েছে ডিএসও।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনা বজায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।