কলকাতা: দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে এ বার একাধিক বড় ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আর্থিক ভাবে অসচ্ছল পুজো কমিটিগুলিকে এক লক্ষ টাকা করে সরকারি অনুদান দেওয়া হবে। তবে বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি আর্থিক সাহায্য না নেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।
পুজো কমিটিগুলির জন্য আরও একাধিক সুবিধার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে পুজোর বিদ্যুৎ খরচ মকুবের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দমকলের ছাড়পত্রের জন্যও কোনও ফি দিতে হবে না বলে জানানো হয়েছে।
তবে উৎসবের পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বেশ কিছু বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছে। রাজ্যের কোনও পুজোয় ডিজে বাজানো যাবে না। অষ্টমীর দিন সমস্ত মদের দোকান ও পানশালায় মদ বিক্রি বন্ধ থাকবে। এ বার দুর্গাপুজোর কার্নিভালও হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রতিমা ও মণ্ডপ তৈরির ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে আঘাত লাগে এমন কিছু না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহালয়ার আগে পুজোর উদ্বোধন করা যাবে না। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে, অর্থাৎ ২৪ অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত প্রতিমা বিসর্জন শেষ করতে হবে। বিসর্জন ঘাটে ক্রেন ব্যবহার এবং জাতীয় সড়ক অবরোধও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মহালয়ার দিন ইডেনে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর সূচনা হবে। থাকবে ড্রোন ও আতশবাজির প্রদর্শনী। পাশাপাশি দিঘা-সহ বিভিন্ন শহরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিশেষ দর্শন-ব্যবস্থা এবং শারদ সম্মান দেওয়ার ঘোষণাও ঘোষণাও করা হয়েছে।