রাজ্যে ১৬তম জনগণনার প্রথম ধাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে নাগরিক পরিচয় ও অনুপ্রবেশের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ডিজিটাল জনগণনার মাধ্যমে একটি নির্ভুল নাগরিক তথ্যভান্ডার তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশকারী এবং শরণার্থীর মধ্যে পার্থক্য করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যাঁরা বৈধ আইনি ব্যবস্থার আওতায় আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃত, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন অনুসরণ করা হবে। অন্যদিকে, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশকারীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সরকারি সামাজিক প্রকল্প ও বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা দেশের বৈধ নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত। তাই জনগণনার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য প্রশাসনের কাছে একটি স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য নথি হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে জাতিগত শংসাপত্র, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প বা সরকারি পরিষেবার আবেদনেও এই তথ্য সহায়ক হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন বা স্বগণনার সুযোগ থাকবে। এরপর ১৬ আগস্ট থেকে এক মাস ধরে সরকারি গণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। যাঁরা অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন নিযুক্ত আধিকারিকরা। প্রশাসনের আশা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই জনগণনা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।