মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর বিশ্ব শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা। ৫ নভেম্বর আমেরিকার বাজারে নাসডাক ৫.৫৬ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ৪.৪ শতাংশ এবং ডাও জোন্স ৩.৪ শতাংশ পড়ে। পরদিন জাপানের নিক্কেই ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পিতেও বড় পতন দেখা যায়। কোস্পি এক পর্যায়ে ৮ শতাংশের বেশি নেমে যায়।
এই পতনের পিছনে অন্যতম কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শিল্প নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ। নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যের পর আমেরিকায় ডেটা সেন্টার তৈরি ও এআই ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দুর্বল প্রযুক্তি সংস্থার ফলও বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে।
তবে ভারতের বাজারে ছবিটা তুলনায় আলাদা। ৬ নভেম্বর সকাল ৯টা ২১ মিনিটে নিফটি ৫০ সামান্য ০.০৯ শতাংশ কমলেও সেনসেক্স ০.১৯ শতাংশ বেড়েছিল। আগের দিন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় অঙ্কের কেনাকাটা এবং ভারতের বাজারে এআই-নির্ভর সংস্থার তুলনামূলক কম প্রভাব এর অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আপনার টাকার উপর প্রভাব কী?
- এসআইপি: এক দিনের বাজার পতনে আতঙ্কিত হয়ে এসআইপি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেবেন না। বিনিয়োগের লক্ষ্য, সময়সীমা ও ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা বিবেচনা করুন।
- পেট্রল-ডিজেল: ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি। তেলের দাম বাড়া বা কমার প্রভাব পড়তে পারে, তবে পাম্পে জ্বালানির দাম সঙ্গে সঙ্গে বদলায় না।
- ধনতেরসের সোনা: কলকাতায় ৬ নভেম্বর ২৪ ক্যারেট সোনার আনুমানিক দাম প্রতি ১০ গ্রামে ₹১,৪৬,০৩০ এবং ২২ ক্যারেট ₹১,৩৩,৮৬০। গয়না কেনার সময় জিএসটি, মজুরি ও হলমার্কের হিসেবও দেখুন।
বাজারের ওঠানামা দেখে তাড়াহুড়ো করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবেন না। এই তথ্য বিনিয়োগের পরামর্শ নয়।