ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে রবিবার, ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে সভা করতে চলেছে বিরোধী INDIA জোট। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।
১. সভার প্রধান দাবি কী?
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করবে বিরোধী জোট। ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানানো হবে। এই অভিযোগগুলি বিরোধীদের; নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।
২. মমতা-অভিষেক কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ‘ভোট চুরি’ বিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, তিনি অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে সভায় যোগ দিতে পারেন। বাংলার দুই শীর্ষ তৃণমূল নেতার উপস্থিতি বিরোধী জোটের রাজনৈতিক ঐক্যের বার্তা দিতে পারে।
৩. নিরাপত্তার ব্যবস্থা কেমন?
দিল্লি পুলিশের তরফে প্রায় ৩,৫০০ কর্মী মোতায়েন এবং ২০০-র বেশি CCTV ক্যামেরায় নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সভা বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। অনুমতি অনুযায়ী, ময়দান থেকে অন্য কোনও গন্তব্যে মিছিল করা যাবে না।
৪. অভিষেকের আইনি বিষয়টি কী?
তদন্তের তথ্য সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চালানোর অভিযোগে অভিষেক কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। দ্রুত শুনানির আবেদন আদালত গ্রহণ করেনি; বিষয়টি পরে তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা। তাই এটিকে সুপ্রিম কোর্টের মামলা বলা ঠিক হবে না।
৫. সভার আগে আর কী ঘটছে?
কংগ্রেস নেতা পবন খেরার অভিযোগ, তেলেঙ্গানায় ট্রেন বাতিল করে সভায় যোগ দিতে আসা মানুষদের যাত্রায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগের স্বাধীন নিশ্চিতকরণ এখনও প্রয়োজন।
ভোটার তালিকা ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের এই কর্মসূচি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।