ছোট আঙারিয়া মামলার পুরনো ফাইল খোলার হুঁশিয়ারির পর গড়বেতার সিপিএম নেতা তপন ঘোষকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রকাশ্য সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে খুঁজে বের করার জন্য পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। তাঁর মন্তব্য, “ওকে জেলে দেখতে চাই।” এরপর থেকেই তপন ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে ধোবাবেড়িয়ায় নিজের বাড়িতে তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছিল। রবিবার থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ। স্থানীয় সিপিএম নেতাদের দাবি, তপন ঘোষ ঠিক সময়ে সামনে আসবেন। তবে তিনি কোথায় রয়েছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা বা গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে কি না, তা পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ছোট আঙারিয়া: ছয় ধাপে ঘটনার টাইমলাইন
- ৪ জানুয়ারি, ২০০১: গড়বেতার ছোট আঙারিয়ায় বক্তার মণ্ডলের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে।
- ২০০১-এর পর: ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিতর্কের মধ্যে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়।
- ২০০৭: তপন ঘোষ ও সুকুর আলিকে গ্রেফতার করা হয়।
- ২০০৯: মামলায় প্রমাণের অভাবে অভিযুক্তদের একাংশকে আদালত খালাস দেয়।
- পরবর্তী সময়: মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বক্তার মণ্ডলের মৃত্যু হয়।
- ২০২৬: গড়বেতার সভা থেকে পুরনো মামলা খোলার হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গড়বেতা কেন্দ্র থেকে তপন ঘোষ পরাজিত হয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পর পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর। অন্যদিকে, সিপিএমের বক্তব্য এবং বিজেপির প্রতিক্রিয়াও এই ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়িয়েছে।