দুর্গাপুজোর বিশেষ পাস বিক্রি ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের মামলায় নতুন মোড়। কলকাতা পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার’ (WBMPO) আইনের ২ ও ৯ নম্বর ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে চলেছে। তবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ধারা যুক্ত করার আবেদন করার কথা জানিয়েছে পুলিশ; আদালতের অনুমতি মিলেছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
মামলার টাইমলাইন
- ২০২২–২০২৫: ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির মাধ্যমে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই লেনদেনে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে।
- ২৮ অক্টোবর: সল্টলেকে ইডির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরোনোর সময় কলকাতা পুলিশ ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করে।
- ২৯ অক্টোবর: ব্যাঙ্কশাল আদালত তাঁকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।
- ৪ নভেম্বর: পুলিশ WBMPO আইনের ২ ও ৯ নম্বর ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানানোর কথা জানায়।
ইডির প্রাথমিক তদন্তে ৫০–৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের সন্দেহের কথা উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পুলিশের অভিযোগ, ইডির অনুসন্ধান এবং আদালতে প্রমাণিত তথ্য এক বিষয় নয়।
সহজভাবে বললে, নতুন আইনের ধারা যুক্ত হলে তদন্তের পরিধি ও সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ বাড়তে পারে। তবে ধারাগুলির নির্দিষ্ট প্রয়োগ এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপ আদালতের অনুমতি ও আইনি প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করবে।
ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও বিচারাধীন। তাঁর বক্তব্য এবং তৃণমূল কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশের আগে কোনও অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে দেখা উচিত নয়। মামলার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ১০ নভেম্বর।