চোরবাগান দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গুজব ও মাইকে করা ঘোষণার ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, হঠাৎ বৃষ্টি, অতিরিক্ত ভিড় এবং মণ্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ঘোষণার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছিল, তা তদন্তের বিষয়।
ঘটনার পর মাইকে মণ্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতামূলক ঘোষণা শোনা গিয়েছিল বলে দাবি উঠেছে। সেই ঘোষণার ভিডিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কে ঘোষণা করেছিলেন, কী পরিস্থিতিতে তা করা হয়েছিল এবং তার সঙ্গে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার সরাসরি যোগ ছিল কি না, তা এখনও তদন্তাধীন।
এদিকে, দুর্ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহারের বাসিন্দা আইনেরুল হককে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, ভিডিওটি জনমনে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়াতে সাহায্য করেছে। তবে ভিডিওর দাবি এবং চোরবাগান দুর্ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এর আগে পুজো কমিটির সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার এখনও হয়নি। ধৃত নিরাপত্তারক্ষী রাজেশ পালের পরিবারও তাঁর নির্দোষ হওয়ার দাবি জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছে।
যা এখনও অজানা: ঘোষণার নেপথ্যে কে ছিলেন, আগাম সতর্কবার্তার সত্যতা কী এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে কার কী ভূমিকা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।