গৃহঋণ ও গাড়ির ঋণ নেওয়া গ্রাহকদের জন্য খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ৭ অক্টোবর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫.৫০ শতাংশ করেছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম রেপো রেট বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। এর ফলে রেপো-সংযুক্ত ঋণের সুদ বাড়লে মাসিক কিস্তি বা EMI-ও বাড়তে পারে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে দেশের GDP বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.১ শতাংশ করেছে। একই সঙ্গে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৫.২ শতাংশ করা হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামলানোই সুদের হার বাড়ানোর অন্যতম কারণ।
২০ লক্ষ টাকার গৃহঋণে কত বাড়বে EMI?
ধরা যাক, ২০ বছরের গৃহঋণে সুদের হার ৮.১০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮.৩৫ শতাংশ হল। সে ক্ষেত্রে মাসিক EMI আনুমানিক ১৬,৮০০ টাকা থেকে ১৭,২০০ টাকার কাছাকাছি হতে পারে। অর্থাৎ মাসে প্রায় ৪০০ টাকা বেশি দিতে হতে পারে। এটি উদাহরণভিত্তিক হিসেব; প্রকৃত অঙ্ক ব্যাঙ্কের সুদের হার ও ঋণের শর্তের উপর নির্ভর করবে।
কোন ব্যাঙ্কে নজর রাখবেন?
PNB, Indian Overseas Bank এবং Indian Bank-সহ কয়েকটি ব্যাঙ্কের ঋণের সুদের হার পরিবর্তনের খবর সামনে এসেছে। তবে সব ধরনের ঋণে একই হারে সুদ বাড়বে, এমন নয়। অন্যদিকে, RBI-র সিদ্ধান্তের পরে স্থায়ী আমানত বা FD-র সুদ বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও ব্যাঙ্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত নিশ্চিত লাভ ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।


মনে রাখুন: সুদের হার ০.২৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়লে EMI-র পাশাপাশি ঋণের মোট সুদও বাড়তে পারে। তবে ব্যাঙ্ক ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে দিলে মাসিক কিস্তি একইও রাখতে পারে। এগুলি আনুমানিক EMI হিসেব। ব্যাঙ্কের প্রকৃত সুদের হার ও ঋণ পুনর্নির্ধারণের নিয়মে অঙ্ক বদলাতে পারে।