দলের নাম ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং নির্বাচনী প্রতীক ‘জোড়াফুল’ ব্যবহারের অধিকার কার, তা নিয়ে বিবাদ এবার নির্বাচন কমিশনের দরজায়। আগামী ৩০ অক্টোবর দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে এই বিরোধের প্রথম আনুষ্ঠানিক শুনানি করবে কমিশন। তবে কোন পক্ষের দাবি গ্রহণ করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের দাবি খতিয়ে দেখবে নির্বাচন কমিশন। দলের সাংগঠনিক কাঠামো এবং অনুমোদিতভাবে কারা দলের পক্ষে সই করতে পারেন, সেগুলিও বিবেচনায় আসতে পারে। সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে দলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর বিরোধটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
‘শিবসেনা ফর্মুলা’ কী?
সহজ ভাষায়, কোনও দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে বিবাদ হলে নির্বাচন কমিশন সাংগঠনিক তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণ খতিয়ে দেখতে পারে। শিবসেনার ২০২৩ সালের বিবাদে এবং ২০২৪ সালে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (NCP)-র ক্ষেত্রে কমিশন বিধায়ক ও সাংসদদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেছিল।
এই কারণেই প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূলের বিরোধেও কি একই ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে? তবে আগের মামলাগুলির সিদ্ধান্ত মানেই এই মামলায় একই রায় হবে, এমন নয়।
৩০ অক্টোবরের শুনানিতে দুই পক্ষের বক্তব্য এবং নথি গুরুত্বপূর্ণ হবে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।