বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে ২৭ ও ২৮ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, ২৬ অক্টোবর সকালের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। এরপর সেটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে বলে পূর্বাভাস।
২৪ অক্টোবরের আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রয়েছে। সেটি ক্রমশ শক্তি বাড়াতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়া, তার গতিপথ এবং উপকূলে পৌঁছনোর সময় সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য জানতে পরবর্তী বুলেটিনের দিকে নজর রাখতে হবে।
দিন ধরে আবহাওয়ার সম্ভাব্য সময়সূচি
২৪ অক্টোবর: নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা।
২৫ অক্টোবর: নিম্নচাপ আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
২৬ অক্টোবর: সকালের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২৭ অক্টোবর: উপকূলবর্তী পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
২৮ অক্টোবর: পশ্চিমবঙ্গের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কাছে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস।
বিহার ও ঝাড়খণ্ডেও ২৮ ও ২৯ অক্টোবর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতা-সহ নির্দিষ্ট জেলার বৃষ্টির পরিমাণ ও সতর্কতা জানতে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ জেলা-ভিত্তিক বুলেটিন দেখতে হবে।
কী জানা গেল, কী এখনও নিশ্চিত নয়?
ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা এবং বাংলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস জানানো হয়েছে। কিন্তু ঝড়ের নাম, চূড়ান্ত গতিপথ এবং কোন জেলায় কতটা বৃষ্টি হবে, তা এখনও পরবর্তী সরকারি আপডেটের উপর নির্ভর করছে। তাই বাংলায় ঘূর্ণিঝড় সরাসরি আছড়ে পড়বে—এমন দাবি করার সময় এখনও আসেনি।
মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার আগে সরকারি সতর্কতা মেনে চলতে হবে। দিঘা ও অন্যান্য উপকূলীয় এলাকায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আবহাওয়ার আপডেট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।