তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সদস্যপদ খারিজের মামলা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত। স্পিকার ওম বিড়লার নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য ফের সময় চেয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। তাঁদের দাবি, জবাব দেওয়ার জন্য আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক। তবে স্পিকার এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এই মামলার সূত্রপাত তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে। দল ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সদস্যপদ খারিজের দাবি জানিয়ে তিনি লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দেন। দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।
৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর: মামলার টাইমলাইন
প্রথমে স্পিকারের নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষ দিন ধার্য হয়েছিল ৮ অক্টোবর। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২০ অক্টোবর করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও জবাব দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। এবার তাঁদের আবেদনে ৩ নভেম্বরের কথা বলা হয়েছে।
এরপর কী হতে পারে?
এখন নজর লোকসভার স্পিকার ও সচিবালয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। সময় বাড়ানোর আবেদন গ্রহণ করা হলে সাংসদরা জবাব দেওয়ার জন্য আরও সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে, আবেদন মঞ্জুর না হলে বা জবাব সন্তোষজনক না হলে স্পিকার মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।
সুপ্রিম কোর্টও এই বিষয়ে স্পিকারের পদক্ষেপের উপর নজর রাখার কথা জানিয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তবে আদালতের নির্দেশের নির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে তথ্যের অমিল থাকায় তা নিশ্চিত না করে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা দাবি করা ঠিক হবে না। শেষ পর্যন্ত সাংসদদের সদস্যপদ থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ এবং স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপর।