মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের আবহে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত ইস্যুতে মতাদর্শগত দূরত্ব ভুলে বিরোধী দলগুলির একসঙ্গে আন্দোলনের প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর সঙ্গে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির যোগাযোগের বিষয়টিও সামনে এসেছে।
শ্রীরামপুরের সভায় মমতা ‘আজাদি’ স্লোগান নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার অর্থে ব্যবহৃত ‘আজাদি’ শব্দ উচ্চারণে আপত্তির কারণ তিনি দেখেন না। একইসঙ্গে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে একটি কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এই বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য সুখবীর সিংহ সঁধু এবং বিবেক জোশী ভোটার তালিকা ও এসআইআর-সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন। কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, তার সমস্ত সিদ্ধান্ত আইন মেনেই নেওয়া হয়েছে।
মমতা এর আগে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং প্রাক-এসআইআর ভোটার তালিকার ভিত্তিতে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছেন।
এখন নজর ৩০ সেপ্টেম্বরের সম্ভাব্য বিরোধী বৈঠকের দিকে। সেখানে নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।